Friday, 20 May 2016

স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফ আই আর

মিঃ নাইডু সকালবেলাই থানায় গিয়ে হাজির। বড়বাবুকে বললেন যে তিনি নাকি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনতে চান।
বড়বাবু মিঃ নাইডুকে চেয়ারে বসিয়ে ঠাণ্ডা হওয়ার সময় দিয়ে, তারপর বললেন, "তা অভিযোগটা ঠিক কি হবে?"
মিঃ নাইডু, "যেকোনও ছোটখাটো কথা কাটাকাটির মধ্যেও আমার স্ত্রী আমাকে চপ্পল ছুঁড়ে মারে!"
বড়বাবু, "এই অত্যাচার কদ্দিন ধরে চলছে?"
নাইডু, "পাঁচ বছর।"
বড়বাবু, "পাঁচ বছর? আর আপনি এখন কমপ্লেন লেখাতে এসেছেন?"
নাইডু, "কি বলবো স্যার! পাঁচ বছর ধরে প্র্যাকটিস করতে করতে ওর টিপ এখন অব্যর্থ হয়ে গেছে। আজকাল একবারও টার্গেট মিস করে না!"

নরকে ফোন কল

ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী সৌজন্য সফরে গেলেন পাকিস্তানে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট অতি আনন্দের সঙ্গে তাঁকে দেখালেন যে তাঁদের দেশের টেলি-কমিউনিকেশনের কেমন প্রভূত উন্নতি হয়েছে।
ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ নরকে ডায়াল করে যমরাজের সঙ্গে কিছুক্ষণ বাক্যালাপ করে নিলেন। টেলিফোন বিল উঠল মাত্র ১ টাকা।
পাকি জোক
কিছুদিন পরে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এলেন নয়াদিল্লি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বললেন তাঁরাও টেলি-কমিউনিকেশনে প্রচুর উন্নতি করেছেন।
সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ডায়াল করলেন দোজখে। কথা বললেন ইবলিশ নামক এক শয়তানের সঙ্গে। কিন্তু সামান্য এক মিনিটের কথায় বিল উঠল ১০০ টাকা।
জোক
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট তো অবাক! বললেন, "এটা কি হলো? আপনাদের ভারতে টেলিফোন তো খুবই ব্যয়বহুল!"
ভারতের প্রধানমন্ত্রী সবিনয়ে বললেন, "আপনাদের দেশ থেকে নরক -লোকাল কল। তাই এক মিনিটে মাত্র এক টাকা বিল হয়। কিন্তু আমাদের দেশ থেকে নরকে ফোন করতে হলে আই এস ডি চার্জ দিতে হয়।"

জন্মদিনের উপহার

জন্মদিনে পচাদার ছেলে গজাকে একটা হুইশল উপহার দিয়েছিলাম।
কিছুদিন পরে গজা আমাকে ফোনে অনেক ধন্যবাদ জানাতে লাগল।
আমি বললাম, "এত উচ্ছ্বাসের কী আছে রে?"
গজার চটজলদি জবাব, "জানো না কাকু, যখন এটা দিনের বেলা বাজাই, তখন মা আমাকে রোজ ১০ টাকা দেয় তাড়াতাড়ি থামাবার জন্য। আর যখন রাতের বেলা বাবা অফিস থেকে ফেরে, ফিরেই আমাকে ১০ টাকা দেয় না বাজানোর জন্য।"
পুরো বাপ কা ব্যাটা হয়েছে!

লাইনে আসুন

আমাদের পচাদার মর্নিং ওয়াক করাটা প্রায় নেশার মতন। রাতভোর থাকতেই বেরিয়ে পড়ে আর মোটামুটি ঘন্টা দেড়েক হাঁটাহাঁটি করে তারপর বাজারটাজার সেরে একসাথে বাড়ি ফেরে। তা আজ সকালবেলা বেরিয়ে পচাদা দেখলো, দুটো খাটিয়ায় করে এক জোড়া মৃতদেহ চলেছে শ্মশানের দিকে। খাটিয়া দুটোর সামনে একজন মাঝবয়সী ভদ্রলোক একটা বড়সড় কুকুরকে নিয়ে চলেছেন, আর তার পেছনেই একগাদা লোকের লম্বা মিছিল।
জোক
পচাদা ভাবলো যে কোন বড়সড় লোকের মৃত্যু হয়েছে। তাই সে এগিয়ে গিয়ে মিছিলের একেবারে সামনের ভদ্রলোককে বললো, "কিছু মনে করবেন না, আপনাদের এই শোকের সময় বিরক্ত করছি। এই মৃতদেহ দুটো কার?"
বাংলা
ভদ্রলোক বললেন, "সামনের খাটিয়াতে আছেন আমার স্ত্রী। আর পিছনে আমার শাশুড়ি।"
পচাদা, একটু অবাক হয়ে, জিজ্ঞেস করলো "কি করে মারা গেলেন ওঁরা?"
ভদ্রলোক বললেন, "আমাদের কুকুরটা প্রথমে আমার শ্বাশুড়িকে কামড়ায়। তারপর আমার স্ত্রী তাঁকে বাঁচাতে এলে তেড়ে গিয়ে আমার শাশুড়িকেও কামড়ে দেয়।"
পচাদা সাথে সাথে বলে উঠলো, "ওই কুকুরটা আমাকে একদিনের জন্য ভাড়া দিতে পারেন?"
ভদ্রলোক স্মিত হেসে বললেন, "হ্যাঁ পারি । তবে আপনাকে লাইনে আসতে হবে। দেখতেই তো পাচ্ছেন, পেছনের ওরা আপনার আগে থেকেই লাইনে আছেন!"

সান্টা সিং বনাম পাকিস্তানী সৈনিক

ভারত থেকে লাহোরের দিকে চলেছে সমঝোতা এক্সপ্রেস। এক কামরায় মাত্র ৪ জন যাত্রী। একজন দারুণ সুন্দরী তরুণী। অন্যজন মাঝবয়সী মহিলা। আর আছে একজন পাকিস্তানী সৈনিক। চতুর্থ জন পাঞ্জাবের বিখ্যাত সান্টা সিং।
জোক
ট্রেন হঠাৎ ঢুকল একটা অন্ধকার টানেলের ভিতর। কামরার ভেতরটা নিমেষে অন্ধকার হয়ে গেলো। সেই অন্ধকারের ভেতর থেকে, ট্রেনের শব্দ ছাপিয়ে, শোনা গেল চুম্বনের শব্দ। ঠিক তারপরই একটা জোরাল থাপ্পড়ের আওয়াজ।
বাংলা
পরমুহূর্তে ট্রেন টানেল পেরিয়ে আলোর মধ্যে চলে এল। দেখা গেল, পাকিস্তানী সেনাটি গালে হাত দিয়ে বসে আছে। আর সান্টা সিং জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
সান্টা জোক
মাঝবয়সী মহিলা ভাবছে, পাকিস্তানী সেনা ওই সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেয়েছে বলে মেয়েটি তাকে খুব জোর থাপ্পড় মেরেছে!
পাকিস্তান
তরুণী ভাবছে, আচ্ছা বেয়াকুব পাকিস্তানী সেনা। কাণ্ডজ্ঞান নেই, মাঝবয়সী মহিলাকে চুমু খেয়ে থাপ্পড় খেলো!
চুমু
পাকিস্তানী সেনা ভাবছে, কী বদমাস ওই ভারতীয় শিখ, সটান চুমু খেল সুন্দরীকে, আর থাপ্পড় খেলাম আমি!!
গাধা
আর আমাদের সান্টা সিং ভাবছে, কী স্মার্ট আমি! চুমু খেলাম আমার নিজের হাতের তালুতে, তারপর সপাটে চড় কষিয়ে দিলাম পাকিস্তানীটার গালে!!!

Thursday, 19 May 2016

সান্টা আর প্রীতো

সান্টা সিং আর তার বউ প্রীতো অনেকদিন ধরেই কানাডায় আছে। ওদের বিয়েরও অনেকদিন হয়ে গেছে, কিন্তু কোন ছেলেমেয়ে না হওয়ায় দুজনে মিলে ঠিক করে একটা বাচ্চা মেয়েকে দত্তক নিল।
এর কয়েকদিন পর সান্টার সাথে হঠাৎ তার বন্ধু বান্টার দেখা। বান্টা বললো, "আরে সান্টা, তোর বউ প্রীতো নাকি আজকাল সন্ধেবেলা স্প্যানিশ শেখার ক্লাসে ভর্তি হয়েছে?"
সান্টা বললো, "হ্যাঁরে বান্টা, ঠিকই শুনেছিস। আমিও সামনের সপ্তাহ থেকে ক্লাস করতে যাবো।"
বান্টা অবাক হয়ে বললো, "কিন্তু কেনো? কানাডায় তো ইংরেজি আর ফরাসী - এই দুটো ভাষা জানা থাকলেই হলো।"
সান্টা বললো, "আরে ভাই বান্টা, এটা তো জানিস যে আমরা একটা ছোট্ট মেয়েকে দত্তক নিয়েছি। এখানকার সরকারী সিস্টেমে যে মেয়েটাকে পেলাম, ওর বাবা-মা দুজনেই মেক্সিকোর লোক। বাচ্চাটা এখনো কথা বলতে শেখেনি। কিন্তু কথা বলতে শেখার পর যাতে ওর কথা আমরা বুঝতে পারি, তাই স্প্যানিশটা শিখে নিচ্ছি।"

বিমানে পচাদা

পচাদা এরোপ্লেনে করে বোম্বে যাবে। সকাল-সকাল উঠে একটা ট্যাক্সি ডাকিয়ে পচাদা এয়ারপোর্টে গেলো। ওমা! একটু পরেই দেখি পচাদা ব্যাজার মুখে বাড়ি এসে উপস্থিত।
তাড়াতাড়ি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "কিগো পচাদা, প্লেন ক্যানসেল বুঝি? তুমি ফিরে এলে যে?"
পচাদা করুণভাবে বললো, "মাইরি, অতো ঝামেলা জানলে প্লেনে চড়তামই না রে ভাই। প্লেনে ওঠার পর একজন বিমানবালা আমাদেরকে বোঝাতে লাগলো যে প্লেন এ্যাকসিডেন্ট হলে কি কি করতে হবে। আমার তো এ্যাকসিডেন্টের নাম শুনেই ভয়ে হাত-পা পেটে সেঁধিয়ে গেছে! সবশেষে বলে কি না, প্লেন যদি কোন নদী বা সাগরে ক্র্যাশ করে, তাহলে সিটের তলার কুশনটাকে নাকি নৌকোর মতন ব্যবহার করতে পারবো।"
পচাদা একটু দম নিয়ে বললো, "এই শুনেই না আমার মাথাটা চড়ে গেলো। রেগেমেগে আমি জিজ্ঞেসই করে বসলাম যে প্লেনটাই যদি উড়তে না পারে, তো সিটটা যে জলে ভাসবে তার গ্যারান্টি কোথায়? ব্যস, শুরু হয়ে গেলো তুমুল বাওয়াল! তারপর আমাকে প্লেন থেকে নামিয়ে দিলো। যাঃ, যাবোই না প্লেনে। রেলগাড়িতে চেপেই বোম্বে যাবো।"

বাঙ্গালি রকস

মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান বিল গেটস তুরস্কের নতুন অফিসের জন্য দুজন সক্ষম লোক খুঁজছিলেন। প্রায় ২০,০০০ আবেদনপত্র জমা পড়লো, ওই দুটো পোস্টের জন্য।
gap
এই ২০,০০০ জনের মধ্যে, তরফদার নামের একজন বাংলাদেশী এবং দত্ত নামের একজন ভারতীয় বাঙ্গালিও আছেন।
gap
বিল গেটস ২০,০০০ আবেদনকারীকেই এক সাথে একটা বড় হল রুমে ডাকলেন এবং বললেন, "এখানে যারা জাভা প্রোগ্রামিং পারেন, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন।"
gap
২০,০০০ এর মধ্যে ১০,০০০ জন হল ছেড়ে চলে গেলেন। তরফদার এবং দত্ত, দুজনেই মনে মনে ভাবলেন, "আমি বরং থেকেই যাই এখানে, হারানোর তো কিছু নেই আমার। আর জাভা প্রোগ্রামিং এমন কি জিনিস! চাকরিটা পেলে, দুই দিনে না’হয় শিখে নেবো।দাঁড়িয়েই থাকি বরং।"
gap
বিল গেটস এবার বললেন, "এখানে যাদের নেটওয়ার্কিং এ দক্ষতা আছে, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা দয়া করে আসতে পারেন।"
gap
১০,০০০ এর মধ্যে ৫,০০০ জন হল ছেড়ে চলে গেলেন। দুই বাঙালি মনে মনে ভাবলেন, "নেটওয়ার্কিংই বা কি এমন জিনিস। চাকরিটা পেলে, দুই দিনের মামলা এটাও।"
gap
বিল গেটস এবার বললেন, "এখানে যাদের উইণ্ডোজ আর ডটনেট এর ওপর দক্ষতা আছে, শুধু তারাই থাকবেন। বাকিরা দয়া করে আসতে পারেন।"
gap
আরো ৩,০০০ জন কেটে পড়লেন। দুই বাঙালি আবারো মনে মনে ভাবলেন, "টেনশন নেই। চাকরিটা পেলে, দুই দিনে শর্ট কোর্স করে ফেলবো।"
gap
বিল গেটস এবার বললেন, "যারা তুরস্কের ভাষা ফ্লুয়েন্টলি বলতে পারেন শুধু তারাই থাকবেন, আর বাকিরা দয়া করে আসুন এবার।"
gap
২,০০০ এর মধ্যে ১,৯৯৮ জনই বেরিয়ে গেলেন। শুধু দুইজন দাড়িয়ে রইলেন; তরফদার আর দত্ত।
gap
বিল গেটস বললেন, “গুড! তোমরা দুজন আমাদের সবকটা ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করেছো। যেহেতু পোস্ট দুটো, আর তোমরা দুজনই আছো, তাই আর কোন টেস্ট নেওয়া হবে না। তবে, তোমাদেরকে এপোয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়ার আগে, তোমরা নিজেদের মধ্যে তুরস্কের ভাষায় কিছু কথা বলো তো দেখি!"
gap
তরফদার সাহেব পাশের ভদ্রলোককে আমতা আমতা করে বললেন, "ভাইজান, কেমন আছেন?"
gap
দত্তবাবুও হাঁফ ছেড়ে, দাঁত বের করে বললেন, ‘এই তো, একদম ভালো! আপনার কি খবর?"

টিকেট বুকিং @ ভারতীয় রেল

ভারতীয় রেলের আইআরসিটিসি সাইটে যারা টিকেট করার ভুলটা করেছেন, সেইসব ভুক্তভোগীরাই জানেন যে সে কি গ্যাঁড়াকল। এর ওপর টুইটারে বেশ ভালো কিছু টুইট পাওয়া গেলো, আর সেগুলোকেই এখানে তুলে ধরছি।
বেশীরভাগ ভারতীয়ই মনে করেন যে আইআরসিটিসি-র ট্যাগলাইন হলো, "এই ওয়েবপেজ এখন ডিসপ্লে করা যাচ্ছে না"।
আইআরসিটিসি আধুনিক ভারত এবং ভারতীয়দের প্রতীভূ। তাই এরা সংরক্ষণের ঘোর বিরোধী!
ব্রেকিং নিউজঃ এইমাত্র জানা গেলো যে দিল্লী হাইকোর্ট একজন ধারাবাহিক অপরাধীকে কঠিন শাস্তি দিয়েছে। কোর্টের নির্দেশে অপরাধীকে ৫০ (পঞ্চাশ) টা ততকাল টিকিট করতে হবে।
আপনি একজন লোককে একটা রেলের টিকিট দিন, সেই লোকটা টিকিটে একদিন সফর করবে। আপনি তাকে আইআরসিটিসি থেকে টিকিট বুক করা শিখিয়ে দিন এবং সে তার কম্পিউটারের সামনে থেকে নড়তেই পারবে না।
শচীন তেণ্ডুলকার কয়েকদিন আগে রেলওয়েজের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরী করেছিলেন। কোন ব্যাপার নয়। শচীন, আপনি আইআরসিটিসি থেকে একটা টিকিট বুক করে দেখান তো!
আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও স্লো!

ফোনালাপ

আমাদের পচাদা একটা টেলিফোন বুথের সামনে দশ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছে। বুথের ভেতরে একটা লোক ফোনটা ধরে কানে লাগিয়ে রেখেছে, কিন্তু কোন কথাই বলছে না। এদিকে আবার বিলও উঠেই যাচ্ছে।
অধৈর্য্য হয়ে পচাদা শেষপর্যন্ত বলেই ফেললো, "দাদা, কি হলো? এতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন, কোন কথাই বলছেন না, বিলও উঠছে, আর আমরাও লাইনে দাঁড়িয়ে বোর হয়ে যাচ্ছি! কেসটা কি?"
লোকটা মাউথপিসের ওপর হাতচাপা দিয়ে বললো, "আরে দাদা, আমি আমার বৌয়ের সাথে কথা বলছি!"

ট্র্যাকসুটে গাধা

সান্টা সিং কে একটা গাধা হঠাৎ করে একটা লাথি কষিয়ে ছুটে পালালো!
সান্টাও সাথে সাথে "ও তেরিকা" বলে গাধাটাকে ধরতে পেছন-পেছন ছুটলো!
একটু দূরে গিয়েই সান্টা একটা জেব্রাকে দেখতে পেয়ে সেটাকেই পাকড়াও করলো।
এবার ঐ জেব্রাকে বেদম মার দেওয়া শুরু করে সান্টা বললো, "শাল্লা! ট্র্যাকস্যুট পরে আমাকে ধোঁকা দিবি বলে ভেবেছিলি?"

পচাদা আর ডেন্টিস্ট

পচাদা ডাক্তারের কাছে গেছিলো তার আক্কেল দাঁতটা ওঠানোর জন্য।
কিন্তু কেসটা একটু গুবলেট হয়ে গেলো যখন ডাক্তার পচাদার হাত-পা ধরে অনুরোধ করতে শুরু করলেন।
দাঁতের ডাক্তারবাবু পচাদাকে বললেন, "পচাদা, এবারকার মতন বাঁচিয়ে দাও না! কিচ্ছু না, ব্যাস গলা দিয়ে দু-তিনবার তোমার সবচেয়ে খতরনাক আর্তনাদটা বার করে দিও!"
পচাদা বললো, "কেনো রে ভাই?"
ডাক্তারবাবু বললেন, "এত্তো লোক ওয়েটিং এরিয়াতে বসে আছে। কিন্তু আমি কোনমতেই আই পি এল-এর ফাইন্যাল ম্যাচ না দেখে ছাড়ছি না!

গরু আকাশে ওড়ে না!

সরদার সান্টা সিং বিকেলবেলা মর্ণিংওয়াক করতে বেরিয়েছিলো। পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে সান্টা আকাশ দেখছে, এমন সময় একটা পায়রা ঠিক সান্টার মুখের ওপর পটি করে বেরিয়ে গেলো।
সান্টা কোমরে হাত দিয়ে ওপরের দিকে তাকিয়ে বললো, "ভাগ্যিস, গরুগুলো আকাশে ওড়ে না!"

বান্টার ব্যথা

বান্টা সিং ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, "বাঁচাও ডাক্তার! অসহ্য ব্যথা করছে। যেখানেই ধরি না কেনো, সেটাই মনে হচ্ছে ভেঙ্গে টুকরো হয়ে যাচ্ছে!"
ডাক্তার একটু অবাক হয়ে বললেন, "কি বলছো হে!"
সান্টা বললো, "এই দেখুন, আমি কাঁধে ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে অসহ্য ব্যথা করছে। এই দেখুন হাঁটুতে ধরলাম - আউচ!! তারপর দেখুন কপালে হাত দিলাম, ওফ কি ব্যথা!"
ডাক্তার একটা দীর্ঘঃশ্বাস ফেলে বললেন, "সান্টা সিং, অসুখটা আমি ধরতে পেরেছি। তোমার আঙ্গুলটা ভেঙ্গে গেছে!"

ঋষি কাশ্যপ ও এক পাকিস্তানি

কয়েকদিন আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের তরফ থেকে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনার দাবী জানানো হয়।
এর ঠিক পরেই ভারতীয় প্রতিনিধি তার বক্তব্য রাখতে উঠে দাঁড়ান। তিনি বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, "অন্য কোনও কিছু বলার আগে, আমি আপনাদেরকে ঋষি কাশ্যপ সম্বন্ধে জানাতে চাই, যার নাম থেকেই কাশ্মীরের নামকরণ হয়েছে বলে মনে করা হয়। অনেকদিন আগের ঘটনা এটা। ঋষি কাশ্যপ কাশ্মীর বলে আজকাল যে এলাকা পরিচিত, সেই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। ঘুরতে ঘুরতে, একটা জায়গায় এক পাথরের ওপরে তিনি তাঁর লাঠি দিয়ে মারায় ফোয়ারার মতন জল বেরিয়ে আসে। ঋষি কাশ্যপ এই দেখে ভাবলেন যে এতো সুন্দর জলে একটু স্নান করে নেওয়া যাক। যেমন ভাবনা, তেমনি কাজ। কাশ্যপ জামা-কাপড় খুলে রেখে স্নান করতে লাগলেন। স্নান শেষ করে কাপড় পরতে গিয়ে দেখেন কাপড়চোপড় পুরো ভ্যানিশ। একটা পাকিস্তানি এক ফাঁকে কাশ্যপের কাপড়গুলো চুরি করে নিয়ে পালিয়েছে!"

এই শুনেই পাকিস্তানের প্রতিনিধি লাফিয়ে উঠে বললেন, "কি যাতা বলছেন! তখন পাকিস্তানই ছিলো না, তো পাকিস্তানি কোত্থেকে আসবে?"
ভারতীয় প্রতিনিধি মুচকি হেসে বললেন, "যাহোক, আমরা যখন বুঝতেই পারছি যে ব্যাপারটা কি, তখন আমি এবার বাকি বক্তৃতাটা শেষ করি!"
আর পাকিস্তানিরা "কাশ্মীর হামারা হ্যায়" বলে থাকে! :P